ঢাকা ০৭:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ এপ্রিল ২০২৪, ২৯ চৈত্র ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

শিক্ষক নিবন্ধন সনদ জালিয়াতি করে চাকরির অভিযোগ

পিরোজপুরে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধনের সনদ জালিয়াতি করে অপূর্ব কুমার রায় নামে এক শিক্ষকের চাকরি নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত অপূর্ব কুমার রায় জেলার নাজিরপুর উপজেলার মালিখালী ইউনিয়নের সাচিয়া গ্রামের বীরেন্দ্র নাথ রায়ের ছেলে।

জানা গেছে, অভিযুক্ত ওই শিক্ষক জেলার সদর উপজেলার দূর্গাপুর ইউনিয়নের চুঙ্গাপাশা গ্রামের মাজার নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কৃষিবিজ্ঞান বিষয়ের (ইনডেক্স-১০৫৩৯১৫) সহকারী শিক্ষক হিসেবে চাকরি করছেন। গত ২০১৩ সালের ১ সেপ্টেম্বর ওই স্কুলে তিনি চাকরি নেন।

ওই শিক্ষকের দাবি তিনি এর আগে সপ্তম বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় ৩১২০০৩৬০ রোল ও রেজি: নম্বর ৯০০০৭৩৩৯/২০০৯ এর পরীক্ষার্থী হিসাবে পাস করে ২০১১ সালের ১ জানুয়ারি সিলেট জেলার জকিগঞ্জ উপজেলার ইছামতি উচ্চ বিদ্যালয়ে চাকরি নেন। ওই চাকরির অভিজ্ঞতা ও ইনডেক্স ব্যবহার করে পিরোজপুরে পুনরায় চাকরি নিয়েছেন।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, তিনি একই সালের একই রেজিস্ট্রেশনের ৩১৭১৬৫৮৪ রোলের শিক্ষক নিবন্ধনের পরীক্ষায় পাস দেখিয়ে সিলেটের জকিগঞ্জে চাকরি নেন। সেখানে তার বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধনের সনদ জালিয়াতির তথ্য মিললে কৌশলে তিনি চাকরি ছেড়ে পিরোজপুরে চলে আসেন।

জানা গেছে, সপ্তম নিবন্ধনের ফলাফল ২০১২ সালের ৪ মার্চ প্রকাশিত হলেও তিনি এর আগেই গত ২০১১ সালের ১ জানুয়রি এমপিতে শিক্ষক হিসেবে এমপিওভুক্ত হন।

এ বিষয়ে চুঙ্গাপাশা মাজার নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা নুরুন্নাহার জানান, তিনি আমার যোগদানের আগে নিয়োগ নিয়েছেন। কাজেই তার নিবন্ধন সনদ সম্পর্কে আমার কিছু জানা নেই।

ট্যাগ :

দাকোপের বাজুয়ায় মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে মানববন্ধন

শিক্ষক নিবন্ধন সনদ জালিয়াতি করে চাকরির অভিযোগ

আপডেট সময় : ১১:১৭:৩১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩১ মে ২০২৩

পিরোজপুরে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধনের সনদ জালিয়াতি করে অপূর্ব কুমার রায় নামে এক শিক্ষকের চাকরি নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত অপূর্ব কুমার রায় জেলার নাজিরপুর উপজেলার মালিখালী ইউনিয়নের সাচিয়া গ্রামের বীরেন্দ্র নাথ রায়ের ছেলে।

জানা গেছে, অভিযুক্ত ওই শিক্ষক জেলার সদর উপজেলার দূর্গাপুর ইউনিয়নের চুঙ্গাপাশা গ্রামের মাজার নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কৃষিবিজ্ঞান বিষয়ের (ইনডেক্স-১০৫৩৯১৫) সহকারী শিক্ষক হিসেবে চাকরি করছেন। গত ২০১৩ সালের ১ সেপ্টেম্বর ওই স্কুলে তিনি চাকরি নেন।

ওই শিক্ষকের দাবি তিনি এর আগে সপ্তম বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় ৩১২০০৩৬০ রোল ও রেজি: নম্বর ৯০০০৭৩৩৯/২০০৯ এর পরীক্ষার্থী হিসাবে পাস করে ২০১১ সালের ১ জানুয়ারি সিলেট জেলার জকিগঞ্জ উপজেলার ইছামতি উচ্চ বিদ্যালয়ে চাকরি নেন। ওই চাকরির অভিজ্ঞতা ও ইনডেক্স ব্যবহার করে পিরোজপুরে পুনরায় চাকরি নিয়েছেন।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, তিনি একই সালের একই রেজিস্ট্রেশনের ৩১৭১৬৫৮৪ রোলের শিক্ষক নিবন্ধনের পরীক্ষায় পাস দেখিয়ে সিলেটের জকিগঞ্জে চাকরি নেন। সেখানে তার বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধনের সনদ জালিয়াতির তথ্য মিললে কৌশলে তিনি চাকরি ছেড়ে পিরোজপুরে চলে আসেন।

জানা গেছে, সপ্তম নিবন্ধনের ফলাফল ২০১২ সালের ৪ মার্চ প্রকাশিত হলেও তিনি এর আগেই গত ২০১১ সালের ১ জানুয়রি এমপিতে শিক্ষক হিসেবে এমপিওভুক্ত হন।

এ বিষয়ে চুঙ্গাপাশা মাজার নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা নুরুন্নাহার জানান, তিনি আমার যোগদানের আগে নিয়োগ নিয়েছেন। কাজেই তার নিবন্ধন সনদ সম্পর্কে আমার কিছু জানা নেই।