ঢাকা ০৭:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৪, ২ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশের সর্ব কনিষ্ঠ এমপি প্রার্থী প্রযুক্তিবিদ মোঃ শাহবাজ মিঞা শোভন

  • সাঈদ হাসান সোহাগ
  • আপডেট সময় : ০৩:৫৭:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ নভেম্বর ২০২৩
  • ১১৬ খবরটি দেখা হয়েছে

প্রযুক্তিবিদ মোঃ শাহবাজ মিঞা শোভন। বরিশালের তরুণ রাজনীতিবিদ। আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-৬ আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী তিনি।

বরিশালের এই উদীয়মান রাজনৈতিক নেতার জন্ম ০৮ই আগস্ট ১৯৯৭ সালে। তিনি পেশায় একজন সফটওয়্যার প্রকৌশলী ও আইটি উদ্যোক্তা।

মোঃ শাহবাজ মিঞা শোভন, বাউফল সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে ২০১২ সালে মাধ্যমিক সম্পন্ন করেন। ২০১৪ সালে কৃতিত্বের সাথে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেন সরকারি বরিশাল মডেল স্কুল এন্ড কলেজ থেকে। এরপর শোভন ভর্তি হন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে। সেখান থেকে কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ থেকে বিএসসি ডিগ্রী সম্পন্ন করেন। একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে সফলতার সাথে শেষ করেন স্নাতকোত্তর।

শোভন জানালেন, কিভাবে তাঁর আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে আসা। তিনি বলেন, আওয়ামী রাজনৈতিক পরিবারে জন্ম হওয়ায়, পরিবার থেকেই রাজনীতির হাতেখড়ি। আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক চর্চা ছোটবেলা থেকেই নিজের পরিবাররে মধ্যে দেখে বড় হয়েছেন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনৈতিক আদর্শের চর্চা আর বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার দৃঢ নেতৃত্বে মুগ্ধ হয়েই আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে আসেন তিনি।

তার বাবা মিঞা মোঃ শোহরাব হোসেন (কয়েস) ছিলেন ৯নং সেক্টরের একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। জাতীয় কৃষি পদক প্রাপ্ত শোহরাব হোসেন কয়েস মিঞা একজন শিক্ষানুরাগী ও সমাজসেবক।

তাঁর মাতা প্রয়াত সাহিদুন্নেছা হেলেন জাতীয় পুরষ্কার প্রাপ্ত স্কুল শিক্ষিকা ছিলেন। ৬২নং চুনাখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক তিনি।

শোভনের প্রপিতামহ তৎকালীন বাকেরগঞ্জ জিলার স্বনামধন্য জমিদার আজহার আলী মিঞা। তিনি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহচর। তাঁর অনুরোধে ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনে, নির্বাচনী কাজে তাদের পৈত্রিক বাড়ি বাকেরগঞ্জ এর কবাই ইউনিয়নে যান বঙ্গবন্ধু।

শোভনের দাদা এ.এম. মহিউদ্দিন ঝিলু মিঞা ছিলেন তৎকালীন বৃহত্তর বাকেরগঞ্জ এর মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও পৃষ্ঠপোষক এবং সর্বজন শ্রদ্ধেয় একজন আওয়ামী লীগ নেতা।

স্বাধীনতা পদক প্রাপ্ত অপারেশন কিলো ফ্লাইট এর বৈমানিক গ্রুপ ক্যাপ্টেন (অবসরপ্রাপ্ত) শামসুল আলম বীর উত্তম শোভনের চাচা। তার আরেক চাচা সার্জেন্ট সাইদুর রহমান একজন শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা। তার খালু আজিজ দুয়ারী মাস্টার ও বড় ফুফা রফিক মুন্সী ছিলেন গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা।

স্কুল জীবন থেকেই শোভন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাথে সরাসরি ছিলেন। বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগকে সুসংগঠিত করার জন্য কাজ করেছেন একনিষ্ঠভাবে। এবার জাতীয় রাজনীতিতে নিজের প্রতিভার সাক্ষর রাখতে চান তিনি।

তরুণ এই রাজনীতিবিদ এরইমধ্যে তরুণদের নিয়ে কাজ করে অসংখ্য সম্মাননা পেয়েছেন।
ইন্টার ন্যাশনাল পিস এ্যাওয়ার্ড -২০২৩।দেশসেরা আইটি উদ্যোক্তা হিসেবে রাইজিং ইয়ূথ অ্যাওয়ার্ড -২০২৩।২০১৩ সালে জাতীয় সংসদ আয়োজিত বাংলাদেশ শিশু সংসদের বিরোধী দলীয় চীফ হুইফ হিসেবে অধিবেশনে অংশ নেন। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী হাত থেকে পান সম্মাননা পুরস্কার ও বিশেষ প্রশংসা পত্র। করোনা মহামারীতে মানবসেবায় অসামান্য অবদান ও সাহসী পদক্ষেপ এর জন্য ওআইসি ও বাংলাদেশ সরকার আয়োজিত শেখ হাসিনা ইয়্যুথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড-২০২০ অর্জন করেন।

সাইবার সিকিউরিটি, মেন্টাল হেলথ, এন্টি ড্রাগ ক্যাম্পেইন সহ সমাজসেবা ও যুব উন্নায়নে বিশেষ অবদানের জন্য পেয়েছেন, বাংলাদেশের তরুণদের সর্বোচ্চ জাতীয় স্বীকৃতি জয় বাংলা ইয়্যুথ অ্যাওয়ার্ড-২০২০। নিরাপদ ইন্টারনেট, ক্লাইমেট চেইঞ্জ ও আইসিটি ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য বাংলাদেশ দুর্নীতি দমন কমিশন এর কমিশনার এর হাত থেকে গ্রহন করেন বাংলাদেশ ইয়ূথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড-২০২৩.

করোনা মহামারিতে অবদান, স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে ৫০ ধরনের ইনোভেটিভ সোস্যাল এক্টিভিটি, আইটি বিশেষজ্ঞ এবং এই খাতে বিশেষ অবদানের জন্য জাতীয় গণমাধ্যমে শোভনকে নিয়ে প্রকাশিত হয়েছে অসংখ্য সংবাদ, ছাপা হয়েছে ফিচার। এছাড়াও উপস্থিত বক্তৃতা, বিতর্ক প্রতিযোগিতা, ম্যাথ অলিম্পিয়াড, ন্যাশনাল আর্থ অলিম্পিয়াড ও ভাষা প্রতিযোগিতায় পেয়েছেন জাতীয় স্বীকৃতি। ২০১৫ সাল থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত সক্রিয়ভাবে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের একজন সংগঠক হিসেবে নেতৃত্ব দিয়েছেন।

বরিশাল-৬ আসনের বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, মসজিদ, মাদ্রাসা, ও বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন কাজে আছেন যুক্ত। পাশাপাশি তিনি তরুণদের সাথে নিয়ে, শিশুশ্রম বন্ধ, পরিবেশ উন্নয়ন, মাদকবিরোধী কর্মকাণ্ড, বেওয়ারিশ প্রাণি সংরক্ষণ এবং নারীর প্রতি সহিংসতা বন্ধ সহ নানা সামাজিক ও সেবামূলক কাজে নিজেকে নিয়োজিত করেছেন। একারণে এলাকার সর্বসাধারণের মধ্যে বেড়েছে তাঁর গ্রহণযোগ্যতা ও জনপ্রিয়তা।

বঙ্গবন্ধু কন্যার সবুজ সংকেত পেলে, বরিশাল-৬ আসনে নির্বাচনের মাধ্যমে ভিশন ২০৪১ বাস্তবায়নে এই তরুণ প্রার্থী, স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে নিজের অভিজ্ঞতা, দক্ষতা ও দেশ সেবার পরিচয় দিতে চান। শোভন বলেন, তরুণ প্রজন্মের একজন রাজনীতিবিদ হিসেবে তিনি সবসময় আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে কাজ করছেন এবং করে যেতে চান।

দাকোপের বাজুয়ায় মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে মানববন্ধন

বাংলাদেশের সর্ব কনিষ্ঠ এমপি প্রার্থী প্রযুক্তিবিদ মোঃ শাহবাজ মিঞা শোভন

আপডেট সময় : ০৩:৫৭:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ নভেম্বর ২০২৩

প্রযুক্তিবিদ মোঃ শাহবাজ মিঞা শোভন। বরিশালের তরুণ রাজনীতিবিদ। আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-৬ আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী তিনি।

বরিশালের এই উদীয়মান রাজনৈতিক নেতার জন্ম ০৮ই আগস্ট ১৯৯৭ সালে। তিনি পেশায় একজন সফটওয়্যার প্রকৌশলী ও আইটি উদ্যোক্তা।

মোঃ শাহবাজ মিঞা শোভন, বাউফল সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে ২০১২ সালে মাধ্যমিক সম্পন্ন করেন। ২০১৪ সালে কৃতিত্বের সাথে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেন সরকারি বরিশাল মডেল স্কুল এন্ড কলেজ থেকে। এরপর শোভন ভর্তি হন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে। সেখান থেকে কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ থেকে বিএসসি ডিগ্রী সম্পন্ন করেন। একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে সফলতার সাথে শেষ করেন স্নাতকোত্তর।

শোভন জানালেন, কিভাবে তাঁর আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে আসা। তিনি বলেন, আওয়ামী রাজনৈতিক পরিবারে জন্ম হওয়ায়, পরিবার থেকেই রাজনীতির হাতেখড়ি। আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক চর্চা ছোটবেলা থেকেই নিজের পরিবাররে মধ্যে দেখে বড় হয়েছেন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনৈতিক আদর্শের চর্চা আর বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার দৃঢ নেতৃত্বে মুগ্ধ হয়েই আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে আসেন তিনি।

তার বাবা মিঞা মোঃ শোহরাব হোসেন (কয়েস) ছিলেন ৯নং সেক্টরের একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। জাতীয় কৃষি পদক প্রাপ্ত শোহরাব হোসেন কয়েস মিঞা একজন শিক্ষানুরাগী ও সমাজসেবক।

তাঁর মাতা প্রয়াত সাহিদুন্নেছা হেলেন জাতীয় পুরষ্কার প্রাপ্ত স্কুল শিক্ষিকা ছিলেন। ৬২নং চুনাখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক তিনি।

শোভনের প্রপিতামহ তৎকালীন বাকেরগঞ্জ জিলার স্বনামধন্য জমিদার আজহার আলী মিঞা। তিনি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহচর। তাঁর অনুরোধে ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনে, নির্বাচনী কাজে তাদের পৈত্রিক বাড়ি বাকেরগঞ্জ এর কবাই ইউনিয়নে যান বঙ্গবন্ধু।

শোভনের দাদা এ.এম. মহিউদ্দিন ঝিলু মিঞা ছিলেন তৎকালীন বৃহত্তর বাকেরগঞ্জ এর মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও পৃষ্ঠপোষক এবং সর্বজন শ্রদ্ধেয় একজন আওয়ামী লীগ নেতা।

স্বাধীনতা পদক প্রাপ্ত অপারেশন কিলো ফ্লাইট এর বৈমানিক গ্রুপ ক্যাপ্টেন (অবসরপ্রাপ্ত) শামসুল আলম বীর উত্তম শোভনের চাচা। তার আরেক চাচা সার্জেন্ট সাইদুর রহমান একজন শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা। তার খালু আজিজ দুয়ারী মাস্টার ও বড় ফুফা রফিক মুন্সী ছিলেন গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা।

স্কুল জীবন থেকেই শোভন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাথে সরাসরি ছিলেন। বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগকে সুসংগঠিত করার জন্য কাজ করেছেন একনিষ্ঠভাবে। এবার জাতীয় রাজনীতিতে নিজের প্রতিভার সাক্ষর রাখতে চান তিনি।

তরুণ এই রাজনীতিবিদ এরইমধ্যে তরুণদের নিয়ে কাজ করে অসংখ্য সম্মাননা পেয়েছেন।
ইন্টার ন্যাশনাল পিস এ্যাওয়ার্ড -২০২৩।দেশসেরা আইটি উদ্যোক্তা হিসেবে রাইজিং ইয়ূথ অ্যাওয়ার্ড -২০২৩।২০১৩ সালে জাতীয় সংসদ আয়োজিত বাংলাদেশ শিশু সংসদের বিরোধী দলীয় চীফ হুইফ হিসেবে অধিবেশনে অংশ নেন। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী হাত থেকে পান সম্মাননা পুরস্কার ও বিশেষ প্রশংসা পত্র। করোনা মহামারীতে মানবসেবায় অসামান্য অবদান ও সাহসী পদক্ষেপ এর জন্য ওআইসি ও বাংলাদেশ সরকার আয়োজিত শেখ হাসিনা ইয়্যুথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড-২০২০ অর্জন করেন।

সাইবার সিকিউরিটি, মেন্টাল হেলথ, এন্টি ড্রাগ ক্যাম্পেইন সহ সমাজসেবা ও যুব উন্নায়নে বিশেষ অবদানের জন্য পেয়েছেন, বাংলাদেশের তরুণদের সর্বোচ্চ জাতীয় স্বীকৃতি জয় বাংলা ইয়্যুথ অ্যাওয়ার্ড-২০২০। নিরাপদ ইন্টারনেট, ক্লাইমেট চেইঞ্জ ও আইসিটি ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য বাংলাদেশ দুর্নীতি দমন কমিশন এর কমিশনার এর হাত থেকে গ্রহন করেন বাংলাদেশ ইয়ূথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড-২০২৩.

করোনা মহামারিতে অবদান, স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে ৫০ ধরনের ইনোভেটিভ সোস্যাল এক্টিভিটি, আইটি বিশেষজ্ঞ এবং এই খাতে বিশেষ অবদানের জন্য জাতীয় গণমাধ্যমে শোভনকে নিয়ে প্রকাশিত হয়েছে অসংখ্য সংবাদ, ছাপা হয়েছে ফিচার। এছাড়াও উপস্থিত বক্তৃতা, বিতর্ক প্রতিযোগিতা, ম্যাথ অলিম্পিয়াড, ন্যাশনাল আর্থ অলিম্পিয়াড ও ভাষা প্রতিযোগিতায় পেয়েছেন জাতীয় স্বীকৃতি। ২০১৫ সাল থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত সক্রিয়ভাবে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের একজন সংগঠক হিসেবে নেতৃত্ব দিয়েছেন।

বরিশাল-৬ আসনের বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, মসজিদ, মাদ্রাসা, ও বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন কাজে আছেন যুক্ত। পাশাপাশি তিনি তরুণদের সাথে নিয়ে, শিশুশ্রম বন্ধ, পরিবেশ উন্নয়ন, মাদকবিরোধী কর্মকাণ্ড, বেওয়ারিশ প্রাণি সংরক্ষণ এবং নারীর প্রতি সহিংসতা বন্ধ সহ নানা সামাজিক ও সেবামূলক কাজে নিজেকে নিয়োজিত করেছেন। একারণে এলাকার সর্বসাধারণের মধ্যে বেড়েছে তাঁর গ্রহণযোগ্যতা ও জনপ্রিয়তা।

বঙ্গবন্ধু কন্যার সবুজ সংকেত পেলে, বরিশাল-৬ আসনে নির্বাচনের মাধ্যমে ভিশন ২০৪১ বাস্তবায়নে এই তরুণ প্রার্থী, স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে নিজের অভিজ্ঞতা, দক্ষতা ও দেশ সেবার পরিচয় দিতে চান। শোভন বলেন, তরুণ প্রজন্মের একজন রাজনীতিবিদ হিসেবে তিনি সবসময় আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে কাজ করছেন এবং করে যেতে চান।