ঢাকা ০৮:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ এপ্রিল ২০২৪, ২৯ চৈত্র ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

বরিশালে ঐতিহ্যবাহী সব কয়টি মসজিদের সংস্কার কাজ চলছে

  • স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ১১:৪০:২৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ মার্চ ২০২৪
  • ৪৩ খবরটি দেখা হয়েছে

আসন্ন ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র প্রতœতত্ত্ব অধিদপ্তরের অধীনে জেলার প্রায় শত বছরেরও প্রাচীন ইতিহাসের নিদর্শন এবং ঐতিহ্যবাহী সব কয়টি মসজিদের সংস্কার ও ধোয়া-মোছার কাজ এগিয়ে চলছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়,  জেলার দশটি উপজেলার প্রায় সব কয়টি ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন মসজিদের সংস্কার কাজ কম-বেশি এগিয়ে চলছে। উল্লেখ্যযোগ্য মসজিদগুলোর মধ্যে যথাক্রমে, সদর উপজেলার রায়পাশা-কড়াপুর ইউনিয়নের মিয়াবাড়ি মসজিদ প্রাচীন স্থাপত্য শৈলীর অন্যতম আকর্ষণ। মুঘল আমলে নির্মিত বাংলাদেশের অন্যতম প্রাচীন মসজিদ এটি। ধারণা করা হয়, ১৮০০ খ্রিষ্টাব্দে দ্বিতল মসজিদটি নির্মাণ করা হয়েছে। কারুকার্য ম-িত মসজিদটির নিচে রয়েছে ছয় দরজা বিশিষ্ট কক্ষ। অবশ্য দ্বিতীয় তলায় মূল মসজিদের আসল সৌন্দর্য ফুটে উঠেছে। এ অংশ জুড়ে রয়েছে চমৎকার সব নকশার কাজ। মূল মসজিদের রয়েছে তিনটি দরজা। মসজিদটিতে রয়েছে আটটি বড় মিনার। বড় মিনারগুলোর মধ্যে রয়েছে ছোট আরও ১২টি মিনার। মসজিদের মাঝখানে রয়েছে তিনটি গম্বুজ। সবচেয়ে বড় গম্বুজটির ভেতরের অংশে রয়েছে দৃষ্টি-নন্দন কারুকার্য। সিঁড়ি বেয়ে দোতলায় ওঠার পর বসার খোলা জায়গা রাখা হয়েছে। মসজিদের পূর্ব ও পশ্চিম পাশে দুটি দিঘী রয়েছে, যা মসজিদের সৌন্দর্যকে ফুটিয়ে তুলেছে। প্রায়ই দেশি-বিদেশি পর্যটকেরা প্রাচীন মসজিদটি দেখতে আসেন।
এছাড়াও, জেলার গৌরনদী পৌর এলাকার বড় কসবা এলাকায় অবস্থিত নয় গম্বুজ বিশিষ্ট ঐতিহ্যবাহী ‘আল্লাহর মসজিদ।’ ধারনা করা হয় পঞ্চদশ শতাব্দীর মাঝা মাঝি সময়ে খান জাহান (র.) আমলে মসজিদটি নির্মিণ করা হয়। মসজিদটি এখন প্রাচীন কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। মসজিদটির দৈর্ঘ্য ও প্রস্থে ১১.৬৮ মিটার। অর্থাৎ ৩৮ ফুট করে। মসজিদের দেয়ালগুলো প্রায় ২.১৮ মিটার বা ৭ ফুট চওড়া। পাতলা ইট ও চুন-সুরকি দিয়ে নির্মিত এ মসজিদটিতে বর্তমানে পূর্ব দেয়ালে ৩টি, উত্তর ও দক্ষিণ দেয়ালে ১টি করে মোট ৫ টি শিখরাকার সরু উঁচু খিলান বিশিষ্ট প্রবেশ পথ রয়েছে। প্রবেশ পথের খিলানের উপরের প্যানেলে কিছু ফুল ও ডায়মন্ড অলংকরন করা হয়েছে। পাশাপাশি ছাদে সর্বমোট ৯ টি গম্বুজ রয়েছে। এছাড়াও মসজিদের অভ্যন্তরে ৪টি পাথরের স্তম্ভ রয়েছে ও পশ্চিম দেয়ালে ৩টি মিহরাব রয়েছে।  মাঝখানের মিহরাবটি আকারে বড়।  
সংশ্লিষ্ট সূত্র আরো জানায়, সুলতানী আমলে পোড়া মাটি দিয়ে তৈরি ঐতিহ্যবাহী ও ঐতিহাসিক কমলাপুর জামে মসজিদ। জেলার গৌরনদী উপজেলার খাঞ্জাপুর ইউনিয়নের কমলাপুর গ্রামে অবস্থিত প্রতœতত্ত্ব অধিদফতরের নিয়ন্ত্রণাধীন তিন গম্বুজ বিশিষ্ট আয়তাকার এ মসজিদটি সতেরো শতকের শেষের দিকে নির্মাণ করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ১.৮৩ মিটার বা ছয় ফুট পুরু দেয়াল বিশিষ্ট মসজিদটি উত্তর-দক্ষিণ দিকে ১৭.২২ মিটার বা ৫৬ ফুট দৈর্ঘ্য এবং পূর্ব-পশ্চিম দিকে ৮.০৮ মিটার বা ২৬ ফুট দৈর্ঘ্য। মসজিটির দেয়ালগুলোতে বহু খাঁজ বিশিষ্ট খিলান যুক্ত প্রবেশ পথ রয়েছে। পূর্ব দিকে তিনটি এবং উত্তর ও দক্ষিণ দেয়ালে একটি করে মোট দুইটিসহ সর্বমোট পাঁচটি প্রবেশ পথ রয়েছে। পূর্ব পাশে মসজিদের মধ্য ভাগের প্রবেশ পথটি বাকিগুলোর থেকে বড় হওয়ায় এটিকে প্রধান ফটক হিসেবেই ব্যবহার করা হয়। মসজিদের কিবলার (সামনে) দিকে তিনটি অর্ধ অষ্টভুজ মিহরাব রয়েছে।
অপরদিকে, নসরত গাজীর মসজিদ বরিশাল জেলার অবস্থিত একটি প্রাচীন মসজিদ ও প্রতœতাত্ত্বিক স্থাপনা। মসজিদটি নাসির উদ্দিন নুসরাত শাহ-এর সময় কালে নির্মাণ করা হয়। এটি বাকেরগঞ্জ উপজেলার শিয়ালগুনি গ্রামে অবস্থিত। মসজিদটি বর্তমানে প্রতœতত্ত্ব বিভাগের সুরক্ষার অধীনে রয়েছে। অনুমান করা হয় ১৫১৯ সালে এ নসরত গাজী নামে এক ব্যক্তি শিয়ালগুনি গ্রামে মসজিদটি নির্মাণ করেন। তাই আসন্ন ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে এ ঐতিহ্যবাহী মসজিদগুলোর সংস্কার করছেন পৃথক ভাবে মসজিদ স্থানীয় জনতা. কমিটির সদস্যরা ও প্রতœতত্ত্ব অধিদপ্তর। এরই ফলোশ্রুতিতে ঐতিহ্যবাহী মসজিদগুলো হয়ে উঠছে দৃষ্টি-নন্দন। এছাড়াও রয়েছে মুঘল আমলে জেলার মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার গোবিন্দপুর এলাকায় ১৯ শতকের প্রথম ভাগে উলানিয়া দিরিী পাড়ে ১টি দোতলা ভবন ও তিন গম্বুজ বিশিষ্ট ১টি মসজিদ। যা বর্তমানে উলানিয়া মসজিদ নামে পরিচিত।
এ বিষয়ে জেলার সদর উপজেলা রায়পাশা-কড়াপুর ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান আহম্মদ শাহরিয়ার বাবু বলেন, ইউনিয়নের মিয়াবাড়ি মসজিদ প্রাচীন স্থাপত্য শৈলীর অন্যতম আকর্ষণ। এ স্থাপত্যটি সংরক্ষণে পরিষদের পক্ষ থেকে সকল প্রকার সহযোগিতা করা হচ্ছে। এবং তা ভবিষ্যতেও অভ্যাহত থাকবে।
এ প্রসঙ্গে আলাপকালে খুলনা ও বরিশাল বিভাগের প্রতœতত্ত্ব অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো: গোলাম ফেরদৌস বলেন,  এসব ঐতিহ্যবাহী গুরুত্বপূর্ণ পুরাকীর্তি মসজিদগুলোর অধিকাংশই কালের গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। তবে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক প্রাচীন সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে আজো টিকে আছে, যা প্রতœতাত্ত্বিক নিদর্শন হিসেবে সমধিক পরিচিত। এসব প্রতœতাত্ত্বিক নিদর্শনের অনুসন্ধান, খনন, সংস্কার, সংরক্ষণ, প্রদর্শন এবং গবেষণার মাধ্যমে ইতিহাস পুনরুদ্ধারের কাজে প্রতœতত্ত্ব অধিদপ্তর পর্যায়ক্রমে কাজ করে যাচ্ছে।

দাকোপের বাজুয়ায় মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে মানববন্ধন

বরিশালে ঐতিহ্যবাহী সব কয়টি মসজিদের সংস্কার কাজ চলছে

আপডেট সময় : ১১:৪০:২৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ মার্চ ২০২৪

আসন্ন ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র প্রতœতত্ত্ব অধিদপ্তরের অধীনে জেলার প্রায় শত বছরেরও প্রাচীন ইতিহাসের নিদর্শন এবং ঐতিহ্যবাহী সব কয়টি মসজিদের সংস্কার ও ধোয়া-মোছার কাজ এগিয়ে চলছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়,  জেলার দশটি উপজেলার প্রায় সব কয়টি ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন মসজিদের সংস্কার কাজ কম-বেশি এগিয়ে চলছে। উল্লেখ্যযোগ্য মসজিদগুলোর মধ্যে যথাক্রমে, সদর উপজেলার রায়পাশা-কড়াপুর ইউনিয়নের মিয়াবাড়ি মসজিদ প্রাচীন স্থাপত্য শৈলীর অন্যতম আকর্ষণ। মুঘল আমলে নির্মিত বাংলাদেশের অন্যতম প্রাচীন মসজিদ এটি। ধারণা করা হয়, ১৮০০ খ্রিষ্টাব্দে দ্বিতল মসজিদটি নির্মাণ করা হয়েছে। কারুকার্য ম-িত মসজিদটির নিচে রয়েছে ছয় দরজা বিশিষ্ট কক্ষ। অবশ্য দ্বিতীয় তলায় মূল মসজিদের আসল সৌন্দর্য ফুটে উঠেছে। এ অংশ জুড়ে রয়েছে চমৎকার সব নকশার কাজ। মূল মসজিদের রয়েছে তিনটি দরজা। মসজিদটিতে রয়েছে আটটি বড় মিনার। বড় মিনারগুলোর মধ্যে রয়েছে ছোট আরও ১২টি মিনার। মসজিদের মাঝখানে রয়েছে তিনটি গম্বুজ। সবচেয়ে বড় গম্বুজটির ভেতরের অংশে রয়েছে দৃষ্টি-নন্দন কারুকার্য। সিঁড়ি বেয়ে দোতলায় ওঠার পর বসার খোলা জায়গা রাখা হয়েছে। মসজিদের পূর্ব ও পশ্চিম পাশে দুটি দিঘী রয়েছে, যা মসজিদের সৌন্দর্যকে ফুটিয়ে তুলেছে। প্রায়ই দেশি-বিদেশি পর্যটকেরা প্রাচীন মসজিদটি দেখতে আসেন।
এছাড়াও, জেলার গৌরনদী পৌর এলাকার বড় কসবা এলাকায় অবস্থিত নয় গম্বুজ বিশিষ্ট ঐতিহ্যবাহী ‘আল্লাহর মসজিদ।’ ধারনা করা হয় পঞ্চদশ শতাব্দীর মাঝা মাঝি সময়ে খান জাহান (র.) আমলে মসজিদটি নির্মিণ করা হয়। মসজিদটি এখন প্রাচীন কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। মসজিদটির দৈর্ঘ্য ও প্রস্থে ১১.৬৮ মিটার। অর্থাৎ ৩৮ ফুট করে। মসজিদের দেয়ালগুলো প্রায় ২.১৮ মিটার বা ৭ ফুট চওড়া। পাতলা ইট ও চুন-সুরকি দিয়ে নির্মিত এ মসজিদটিতে বর্তমানে পূর্ব দেয়ালে ৩টি, উত্তর ও দক্ষিণ দেয়ালে ১টি করে মোট ৫ টি শিখরাকার সরু উঁচু খিলান বিশিষ্ট প্রবেশ পথ রয়েছে। প্রবেশ পথের খিলানের উপরের প্যানেলে কিছু ফুল ও ডায়মন্ড অলংকরন করা হয়েছে। পাশাপাশি ছাদে সর্বমোট ৯ টি গম্বুজ রয়েছে। এছাড়াও মসজিদের অভ্যন্তরে ৪টি পাথরের স্তম্ভ রয়েছে ও পশ্চিম দেয়ালে ৩টি মিহরাব রয়েছে।  মাঝখানের মিহরাবটি আকারে বড়।  
সংশ্লিষ্ট সূত্র আরো জানায়, সুলতানী আমলে পোড়া মাটি দিয়ে তৈরি ঐতিহ্যবাহী ও ঐতিহাসিক কমলাপুর জামে মসজিদ। জেলার গৌরনদী উপজেলার খাঞ্জাপুর ইউনিয়নের কমলাপুর গ্রামে অবস্থিত প্রতœতত্ত্ব অধিদফতরের নিয়ন্ত্রণাধীন তিন গম্বুজ বিশিষ্ট আয়তাকার এ মসজিদটি সতেরো শতকের শেষের দিকে নির্মাণ করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ১.৮৩ মিটার বা ছয় ফুট পুরু দেয়াল বিশিষ্ট মসজিদটি উত্তর-দক্ষিণ দিকে ১৭.২২ মিটার বা ৫৬ ফুট দৈর্ঘ্য এবং পূর্ব-পশ্চিম দিকে ৮.০৮ মিটার বা ২৬ ফুট দৈর্ঘ্য। মসজিটির দেয়ালগুলোতে বহু খাঁজ বিশিষ্ট খিলান যুক্ত প্রবেশ পথ রয়েছে। পূর্ব দিকে তিনটি এবং উত্তর ও দক্ষিণ দেয়ালে একটি করে মোট দুইটিসহ সর্বমোট পাঁচটি প্রবেশ পথ রয়েছে। পূর্ব পাশে মসজিদের মধ্য ভাগের প্রবেশ পথটি বাকিগুলোর থেকে বড় হওয়ায় এটিকে প্রধান ফটক হিসেবেই ব্যবহার করা হয়। মসজিদের কিবলার (সামনে) দিকে তিনটি অর্ধ অষ্টভুজ মিহরাব রয়েছে।
অপরদিকে, নসরত গাজীর মসজিদ বরিশাল জেলার অবস্থিত একটি প্রাচীন মসজিদ ও প্রতœতাত্ত্বিক স্থাপনা। মসজিদটি নাসির উদ্দিন নুসরাত শাহ-এর সময় কালে নির্মাণ করা হয়। এটি বাকেরগঞ্জ উপজেলার শিয়ালগুনি গ্রামে অবস্থিত। মসজিদটি বর্তমানে প্রতœতত্ত্ব বিভাগের সুরক্ষার অধীনে রয়েছে। অনুমান করা হয় ১৫১৯ সালে এ নসরত গাজী নামে এক ব্যক্তি শিয়ালগুনি গ্রামে মসজিদটি নির্মাণ করেন। তাই আসন্ন ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে এ ঐতিহ্যবাহী মসজিদগুলোর সংস্কার করছেন পৃথক ভাবে মসজিদ স্থানীয় জনতা. কমিটির সদস্যরা ও প্রতœতত্ত্ব অধিদপ্তর। এরই ফলোশ্রুতিতে ঐতিহ্যবাহী মসজিদগুলো হয়ে উঠছে দৃষ্টি-নন্দন। এছাড়াও রয়েছে মুঘল আমলে জেলার মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার গোবিন্দপুর এলাকায় ১৯ শতকের প্রথম ভাগে উলানিয়া দিরিী পাড়ে ১টি দোতলা ভবন ও তিন গম্বুজ বিশিষ্ট ১টি মসজিদ। যা বর্তমানে উলানিয়া মসজিদ নামে পরিচিত।
এ বিষয়ে জেলার সদর উপজেলা রায়পাশা-কড়াপুর ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান আহম্মদ শাহরিয়ার বাবু বলেন, ইউনিয়নের মিয়াবাড়ি মসজিদ প্রাচীন স্থাপত্য শৈলীর অন্যতম আকর্ষণ। এ স্থাপত্যটি সংরক্ষণে পরিষদের পক্ষ থেকে সকল প্রকার সহযোগিতা করা হচ্ছে। এবং তা ভবিষ্যতেও অভ্যাহত থাকবে।
এ প্রসঙ্গে আলাপকালে খুলনা ও বরিশাল বিভাগের প্রতœতত্ত্ব অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো: গোলাম ফেরদৌস বলেন,  এসব ঐতিহ্যবাহী গুরুত্বপূর্ণ পুরাকীর্তি মসজিদগুলোর অধিকাংশই কালের গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। তবে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক প্রাচীন সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে আজো টিকে আছে, যা প্রতœতাত্ত্বিক নিদর্শন হিসেবে সমধিক পরিচিত। এসব প্রতœতাত্ত্বিক নিদর্শনের অনুসন্ধান, খনন, সংস্কার, সংরক্ষণ, প্রদর্শন এবং গবেষণার মাধ্যমে ইতিহাস পুনরুদ্ধারের কাজে প্রতœতত্ত্ব অধিদপ্তর পর্যায়ক্রমে কাজ করে যাচ্ছে।