ঢাকা ০২:০৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ জুন ২০২৪, ৫ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

পিরোজপুরে ৯ হাজার কৃষককে প্রণোদনা দেয়া হচ্ছে

  • স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ১২:৫৬:৩০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৩
  • ১২৫ খবরটি দেখা হয়েছে

বোরোর উচ্চ ফলনশীল জাতের ধানের উৎপাদন বৃদ্ধিতে পিরোজপুরে ৯ হাজার কৃষককে প্রণোদনা দেয়া হচ্ছে।
সরকারের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এ লক্ষ্যে জেলার ৭ উপজেলার কৃষকদের জন্য ৬৪ লাখ ৫৭ হাজার ৫০০ টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। এই বরাদ্দের টাকা থেকে ক্রয় করে প্রতি কৃষককে ৫ কেজি উন্নতমানের বীজ, ১০ কেজি ডাই অ্যামোনিয়াম ফসফেট এবং ১০ কেজি মিউরেটক পটাশ সার বিনামূল্যে দেয়া হচ্ছে। একজন কৃষক ১ বিঘা জমির জন্য এই প্রণোদনা পাচ্ছে।
প্রণোদনার এই অর্থ থেকে সদর উপজেলায় ১ হাজার ৫০০, ইন্দুরকানীতে ৯০০, কাউখালীতে ১ হাজার, নেছারাবাদে ১ হাজার ২৫০, নাজিরপুরে ২ হাজার, ভান্ডারিয়ায় ৯৫০ এবং মঠবাড়িয়ায় ১ হাজার ৪০০ কৃষককে বীজ ও সার দেয়া হচ্ছে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. মো. নজরুল ইসলাম সিকদার জানান- উফশী জাতের ধান চাষ সম্প্রসারণ এবং স্থানীয় জাতের পরিবর্তে উফশী চাষে আগ্রহ সৃষ্টিতে এই প্রণোদনা দেয়া হয়। চলতি বোরো চাষাবাদ মৌসুমে জেলায় ১৪ হাজার ৮৫০ হেক্টর জমিতে উফশী জাতের ধান চাষ করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এ জমিতে ৫৯ হাজার ৪০০ টন চাল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করা সম্ভব হবে বলে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পিরোজপুরের জেলা কার্যালয়ের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা অরুণ রায় আশা প্রকাশ করেছেন।
পিরোজপুর সদর উপজেলার রায়েরকাঠী গ্রামের বোরো চাষি রতন ঢালী জানান- প্রণোদনার উন্নতমানের বীজ এবং সার পেয়ে কৃষকরা বোরো চাষে আগ্রহী হচ্ছে এবং এর ফলে প্রতিবছর বোরো চালের উৎপাদন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

খুলনার দাকোপে ভূমিসেবা সপ্তাহ উদযাপন হয়েছে

পিরোজপুরে ৯ হাজার কৃষককে প্রণোদনা দেয়া হচ্ছে

আপডেট সময় : ১২:৫৬:৩০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৩

বোরোর উচ্চ ফলনশীল জাতের ধানের উৎপাদন বৃদ্ধিতে পিরোজপুরে ৯ হাজার কৃষককে প্রণোদনা দেয়া হচ্ছে।
সরকারের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এ লক্ষ্যে জেলার ৭ উপজেলার কৃষকদের জন্য ৬৪ লাখ ৫৭ হাজার ৫০০ টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। এই বরাদ্দের টাকা থেকে ক্রয় করে প্রতি কৃষককে ৫ কেজি উন্নতমানের বীজ, ১০ কেজি ডাই অ্যামোনিয়াম ফসফেট এবং ১০ কেজি মিউরেটক পটাশ সার বিনামূল্যে দেয়া হচ্ছে। একজন কৃষক ১ বিঘা জমির জন্য এই প্রণোদনা পাচ্ছে।
প্রণোদনার এই অর্থ থেকে সদর উপজেলায় ১ হাজার ৫০০, ইন্দুরকানীতে ৯০০, কাউখালীতে ১ হাজার, নেছারাবাদে ১ হাজার ২৫০, নাজিরপুরে ২ হাজার, ভান্ডারিয়ায় ৯৫০ এবং মঠবাড়িয়ায় ১ হাজার ৪০০ কৃষককে বীজ ও সার দেয়া হচ্ছে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. মো. নজরুল ইসলাম সিকদার জানান- উফশী জাতের ধান চাষ সম্প্রসারণ এবং স্থানীয় জাতের পরিবর্তে উফশী চাষে আগ্রহ সৃষ্টিতে এই প্রণোদনা দেয়া হয়। চলতি বোরো চাষাবাদ মৌসুমে জেলায় ১৪ হাজার ৮৫০ হেক্টর জমিতে উফশী জাতের ধান চাষ করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এ জমিতে ৫৯ হাজার ৪০০ টন চাল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করা সম্ভব হবে বলে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পিরোজপুরের জেলা কার্যালয়ের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা অরুণ রায় আশা প্রকাশ করেছেন।
পিরোজপুর সদর উপজেলার রায়েরকাঠী গ্রামের বোরো চাষি রতন ঢালী জানান- প্রণোদনার উন্নতমানের বীজ এবং সার পেয়ে কৃষকরা বোরো চাষে আগ্রহী হচ্ছে এবং এর ফলে প্রতিবছর বোরো চালের উৎপাদন বৃদ্ধি পাচ্ছে।