ঢাকা ০৯:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ এপ্রিল ২০২৪, ২৯ চৈত্র ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

পটুয়াখালীতে ঘন কুয়াশার সাথে বেড়েছে শীতের তীব্রতা

  • বি.এম.মুহাইমিনুল
  • আপডেট সময় : ০৫:২৫:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৩
  • ১১৬ খবরটি দেখা হয়েছে

পটুয়াখালীতে ঘন কুয়াশার সাথে বেড়েছে শীতের তীব্রতা। বেলা বাড়লেও দেখা মিলছেনা সূর্যের। দিনের বেলায়ও হেড লাইট জালিয়ে চলছে যানবাহন। আজ সকাল নয়টায় জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৭.৪ ডিগ্রী সেলসিয়াস। এতে সবচেয়ে ভোগান্তিতে পড়েছে নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া মানুষ। এছাড়া বেলা বাড়লেও মিলছেনা গ্রামাঞ্চলের বাজারগুলো। জেলার সকল হাসপাতালগুলোতে বেড়েছে ঠান্ডা জনিত বয়স্ক ও শিশু রোগীর সংখ্যা। এদিকে শীতের কাপড়ের দোকানগুলোতে বেড়েছে ক্রেতাদের ভীড়।
জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, হতদরিদ্র শীতার্ত মানুষকে শীত বস্ত্র বিতরনের উদ্যোগ নিয়েছে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন। পাশাপাশি সমাজের বিত্তবান মানুষদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে।
কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. চিন্ময় হাওলাদার বলেন, শীত জনিত কারনে হাঁপানী, সর্দি, কাশি, জ্বর নিয়ে মানুষ আসছে হাসপাতালে। এদের চিকিৎসা সেবার তৎপর রয়েছে চিকিৎসক ও সেবিকারা। হাসাপাতালে পর্যাপ্ত ঔষদের সরবারহ রয়েছে। তবে অপর্যাপ্ত বেডের কারনে অনেক রোগীকে এই শীতেও ফ্লোরে চিকিৎসা সেবা দিতে হচ্ছে।

দাকোপের বাজুয়ায় মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে মানববন্ধন

পটুয়াখালীতে ঘন কুয়াশার সাথে বেড়েছে শীতের তীব্রতা

আপডেট সময় : ০৫:২৫:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৩

পটুয়াখালীতে ঘন কুয়াশার সাথে বেড়েছে শীতের তীব্রতা। বেলা বাড়লেও দেখা মিলছেনা সূর্যের। দিনের বেলায়ও হেড লাইট জালিয়ে চলছে যানবাহন। আজ সকাল নয়টায় জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৭.৪ ডিগ্রী সেলসিয়াস। এতে সবচেয়ে ভোগান্তিতে পড়েছে নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া মানুষ। এছাড়া বেলা বাড়লেও মিলছেনা গ্রামাঞ্চলের বাজারগুলো। জেলার সকল হাসপাতালগুলোতে বেড়েছে ঠান্ডা জনিত বয়স্ক ও শিশু রোগীর সংখ্যা। এদিকে শীতের কাপড়ের দোকানগুলোতে বেড়েছে ক্রেতাদের ভীড়।
জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, হতদরিদ্র শীতার্ত মানুষকে শীত বস্ত্র বিতরনের উদ্যোগ নিয়েছে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন। পাশাপাশি সমাজের বিত্তবান মানুষদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে।
কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. চিন্ময় হাওলাদার বলেন, শীত জনিত কারনে হাঁপানী, সর্দি, কাশি, জ্বর নিয়ে মানুষ আসছে হাসপাতালে। এদের চিকিৎসা সেবার তৎপর রয়েছে চিকিৎসক ও সেবিকারা। হাসাপাতালে পর্যাপ্ত ঔষদের সরবারহ রয়েছে। তবে অপর্যাপ্ত বেডের কারনে অনেক রোগীকে এই শীতেও ফ্লোরে চিকিৎসা সেবা দিতে হচ্ছে।