ঢাকা ০৬:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৪, ২ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

গোপালগঞ্জে ১৫ অক্টোবর এইচপিভি টিকা দেওয়ার কার্যক্রম শুরু হবে

  • স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ১২:৫১:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৩
  • ৭৩ খবরটি দেখা হয়েছে

“এক ডোজ এইচপিভি টিকা নিন, জরায়ুমুখ ক্যান্সার
রুখে দিন”- এ শ্লোগানকে সামনে রেখে জেলায় ৬৩ হাজার ৪৯৮টি এইচপিভি টিকা প্রয়োগ করা হবে।
সরকারি উদ্যোগে আগামী ১৫ অক্টোবর রোববার থেকে শুরু হয়ে মাসব্যাপী এ কার্যক্রম চলবে।
প্রাথমিকভাবে “৫ম থেকে ৯ম শ্রেণীতে অধ্যয়নরত ৬১ হাজার ৬৭৪ জন ছাত্রী” এবং “১০ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বহির্ভূত ১ হাজার ৮২৪ জন কিশোরীকে বিনামূল্যে এইচপিভি টিকা প্রদান করা হবে ।
গোপালগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান এ তথ্য জানিয়ে বলেন, আগামী ১৫ অক্টোবর থেকে ১৬ নভেম্বর পর্যন্ত মাসব্যাপী এ টিকাদান কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।
গোপালগঞ্জ সদর উপজেলায় ১৫ হাজার ২৫৬ জন, মুকসুদপুর উপজেলায় ১৫ হাজার ৪৪৭ জন, কাশিয়ানী উপজেলায় ১১ হাজার ৫০৮ জন, কোটালীপাড়া উপজেলায় ১০ হাজার ৬১২ জন, টুঙ্গিপাড়া উপজেলায় ৫ হাজার ১২১ জন ও গোপালগঞ্জ পৌরসভায় ৫ হাজার ৫৫৪ জনের দেহে এইচপিভি টিকা প্রয়োগের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
সিভিল সার্জন বলেন, জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রতিরোধে এইচপিভি টিকা বিশ্বব্যাপী পরীক্ষিত, নিরাপদ ও কার্যকর। পর্যায়ক্রমে এইচপিডি টিকাদান পরিকল্পনার ১ম ধাপে ঢাকা বিভাগের সব জেলা, উপজেলা, সিটি কর্পোরেশন এবং পৌরসভায় এ টিকাদান ক্যাম্পেইন শুরু হতে যাচ্ছে। ঢাকা বিভাগের অন্যান্য জেলার মতো গোপালগঞ্জ জেলায়ও আগামী ১৫ অক্টোবর থেকে টিকাদান কর্মসূচি শুরু হবে। আগামী ১৬ নভেম্বর এইচপিভি টিকাদান ক্যাম্পেইন সমাপ্ত হবে।
সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডা. এসএম সাকিবুর রহমান জানান, জেলার মোট ১ হাজার ৫২২টি টিকাদান কেন্দ্র থেকে টিকা প্রয়োগ করা হবে। এটি সফল করতে ৪৩৭ জন টিকাদান কর্মী এবং ১ হাজার ৬৮০ জন স্বেচ্ছাসেবক অংশ নেবেন। গোপালগঞ্জ জেলার ৫ উপজেলার ৬৮টি ইউনিয়ন ও ৪টি পৌরসভায় মোট ৬৩ হাজার ৪৯৮ জন কিশোরীর দেহে টিকা প্রয়োগ করা হবে। এ ক্যাম্পেইনের আওতায় ১ ডোজ করে এইচপিভি টিকা দেওয়া হবে। মাসব্যাপী টিকাদান ক্যাম্পেইনে মোট ১৮ কর্মদিবসে টিকাদান কার্যক্রম পরিচালিত হবে। তারমধ্যে প্রথম ১০দিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও স্থায়ী কেন্দ্র সমূহে টিকা প্রয়োগের ব্যবস্থা করা হয়েছে। পরবর্তী ৮ কর্মদিবসে নিয়মিত ইপিআই’র স্থায়ী এবং অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্রে এ কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এ ক্যাম্পেইন থেকে টিকা পেতে ” www.vaxepi.gov.bd” ওয়েবসাইটে নিবন্ধন করতে হবে বলে জানান গোপালগঞ্জ জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের ওই কর্মকর্তা ।
ডা. সাকিবুর জানান, আমাদের হাতে ইতিমধ্যে সব টিকা এসে পৌঁছেছে। এ ব্যাপারে আমরা প্রায় সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করে এনেছি। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ব্রিফিং করা হয়েছে। এ ব্যাপারে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালানো হচ্ছে। আশা করছি টিকাদান কর্মসূচি শতভাগ সফল হবে। এজন্য তিনি সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

দাকোপের বাজুয়ায় মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে মানববন্ধন

গোপালগঞ্জে ১৫ অক্টোবর এইচপিভি টিকা দেওয়ার কার্যক্রম শুরু হবে

আপডেট সময় : ১২:৫১:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৩

“এক ডোজ এইচপিভি টিকা নিন, জরায়ুমুখ ক্যান্সার
রুখে দিন”- এ শ্লোগানকে সামনে রেখে জেলায় ৬৩ হাজার ৪৯৮টি এইচপিভি টিকা প্রয়োগ করা হবে।
সরকারি উদ্যোগে আগামী ১৫ অক্টোবর রোববার থেকে শুরু হয়ে মাসব্যাপী এ কার্যক্রম চলবে।
প্রাথমিকভাবে “৫ম থেকে ৯ম শ্রেণীতে অধ্যয়নরত ৬১ হাজার ৬৭৪ জন ছাত্রী” এবং “১০ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বহির্ভূত ১ হাজার ৮২৪ জন কিশোরীকে বিনামূল্যে এইচপিভি টিকা প্রদান করা হবে ।
গোপালগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান এ তথ্য জানিয়ে বলেন, আগামী ১৫ অক্টোবর থেকে ১৬ নভেম্বর পর্যন্ত মাসব্যাপী এ টিকাদান কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।
গোপালগঞ্জ সদর উপজেলায় ১৫ হাজার ২৫৬ জন, মুকসুদপুর উপজেলায় ১৫ হাজার ৪৪৭ জন, কাশিয়ানী উপজেলায় ১১ হাজার ৫০৮ জন, কোটালীপাড়া উপজেলায় ১০ হাজার ৬১২ জন, টুঙ্গিপাড়া উপজেলায় ৫ হাজার ১২১ জন ও গোপালগঞ্জ পৌরসভায় ৫ হাজার ৫৫৪ জনের দেহে এইচপিভি টিকা প্রয়োগের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
সিভিল সার্জন বলেন, জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রতিরোধে এইচপিভি টিকা বিশ্বব্যাপী পরীক্ষিত, নিরাপদ ও কার্যকর। পর্যায়ক্রমে এইচপিডি টিকাদান পরিকল্পনার ১ম ধাপে ঢাকা বিভাগের সব জেলা, উপজেলা, সিটি কর্পোরেশন এবং পৌরসভায় এ টিকাদান ক্যাম্পেইন শুরু হতে যাচ্ছে। ঢাকা বিভাগের অন্যান্য জেলার মতো গোপালগঞ্জ জেলায়ও আগামী ১৫ অক্টোবর থেকে টিকাদান কর্মসূচি শুরু হবে। আগামী ১৬ নভেম্বর এইচপিভি টিকাদান ক্যাম্পেইন সমাপ্ত হবে।
সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডা. এসএম সাকিবুর রহমান জানান, জেলার মোট ১ হাজার ৫২২টি টিকাদান কেন্দ্র থেকে টিকা প্রয়োগ করা হবে। এটি সফল করতে ৪৩৭ জন টিকাদান কর্মী এবং ১ হাজার ৬৮০ জন স্বেচ্ছাসেবক অংশ নেবেন। গোপালগঞ্জ জেলার ৫ উপজেলার ৬৮টি ইউনিয়ন ও ৪টি পৌরসভায় মোট ৬৩ হাজার ৪৯৮ জন কিশোরীর দেহে টিকা প্রয়োগ করা হবে। এ ক্যাম্পেইনের আওতায় ১ ডোজ করে এইচপিভি টিকা দেওয়া হবে। মাসব্যাপী টিকাদান ক্যাম্পেইনে মোট ১৮ কর্মদিবসে টিকাদান কার্যক্রম পরিচালিত হবে। তারমধ্যে প্রথম ১০দিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও স্থায়ী কেন্দ্র সমূহে টিকা প্রয়োগের ব্যবস্থা করা হয়েছে। পরবর্তী ৮ কর্মদিবসে নিয়মিত ইপিআই’র স্থায়ী এবং অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্রে এ কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এ ক্যাম্পেইন থেকে টিকা পেতে ” www.vaxepi.gov.bd” ওয়েবসাইটে নিবন্ধন করতে হবে বলে জানান গোপালগঞ্জ জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের ওই কর্মকর্তা ।
ডা. সাকিবুর জানান, আমাদের হাতে ইতিমধ্যে সব টিকা এসে পৌঁছেছে। এ ব্যাপারে আমরা প্রায় সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করে এনেছি। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ব্রিফিং করা হয়েছে। এ ব্যাপারে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালানো হচ্ছে। আশা করছি টিকাদান কর্মসূচি শতভাগ সফল হবে। এজন্য তিনি সবার সহযোগিতা কামনা করেন।