ঢাকা ১০:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ জুন ২০২৪, ৬ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

গর্ভনিরোধক ওষুধ খাওয়া স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ১০:৫৫:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ নভেম্বর ২০২৩
  • ১০৩ খবরটি দেখা হয়েছে

সন্তান ধারণ ঠেকাতে অনেক মহিলাই গর্ভনিরোধক ওষুধ খান। বর্তমানে বিশ্বে ১৫ কোটির বেশি মহিলা গর্ভনিরোধক ওষুধ নেন। কিন্তু, দিনের পর দিন গর্ভনিরোধক ওষুধ খাওয়া স্বাস্থ্যের পক্ষে মোটেই ভাল নয়। ক্রমাগত এই ওষুধ গ্রহণ কেবল সন্তান ধারণ নিয়ন্ত্রণ করে না, মস্তিষ্কেও বিশেষ প্রভাব ফেলে। সম্প্রতি এক গবেষণা রিপোর্টে এমনই তথ্য উঠে এসেছে। কানাডার ইউনিভার্সিট ডু কুইবেক এ মন্ট্রিলের গবেষকদের একাংশ গর্ভনিরোধক ওষুধ (সিওসি) নিয়ে বিশেষ সমীক্ষা রিপোর্ট প্রকাশ করেছেন। সেটি ‘ফ্রন্টিয়ার্স ইন এন্ডোক্রিনোলজি’-তে প্রকাশিত হয়েছে। যারা দীর্ঘদিন ধরে সিওসি নিচ্ছেন এবং যারা মাত্র কয়েকদিন সিওসি নিতে শুরু করেছেন, এই দুই ধরনের মহিলার উপর সমীক্ষা চালানো হয়। সেই রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে, দীর্ঘদিন ধরে যারা দীর্ঘদিন ধরে গর্ভনিরোধক ওষুধ নেয়ার ফলে সিন্থেটিক সেক্স হরমোনের স্বাভাবিক কাজকর্ম নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে। আর তার প্রভাব পড়ছে সরাসরি মস্তিষ্কের স্নায়ুতে। মূলত, ভয় স্নায়ুর উপর প্রভাব ফেলে। সিওসি নিয়ে রিসার্চের গবেষক দলের অন্যতম তথা ইউনিভার্সিট ডু কুইবেক এ মন্ট্রিলের গবেষক আলেকজান্ডার ব্রুইলার্ড বলেন, ঠআমাদের গবেষণায় আমরা দেখিয়েছি যে, যে মহিলারা দীর্ঘদিন ধরে সিওসি ব্যবহার করছেন, তাদের পুরুষদের তুলনায় ভেন্ট্রোমেডিয়াল প্রিফ্রন্টাল কর্টেক্স পাতলা হয়ে যায়। প্রিফ্রন্টাল কর্টেক্সের এই অংশটি আবেগ নিয়ন্ত্রণকে ধরে রাখতে বলে মনে করা হয়, যেমন একটি নিরাপদ পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে ভয়ের সংকেত হ্রাস করে। অত্যধিক সিওসির ব্যবহার মহিলাদের মধ্যে আবেগ নিয়ন্ত্রণকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।’ এছাড়া মহিলাদের মাসিক চক্রের উপর প্রভাব পড়ে। যার ফলে বিভিন্ন শারীরিক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা যায়। ব্রুইলার্ড আরও জানান, সিওসি ব্যবহার বন্ধ করানো তাদের লক্ষ্য নয়, বরং সিওসির প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোই লক্ষ্য। এর ব্যবহার কতটা প্রযোজ্য, মস্তিষ্ক, শরীর এবং আবেগ নিয়ন্ত্রণের উপর এর দীর্ঘমেয়াদী প্রভাবগুলি সম্পর্কে আরও ভালভাবে গবেষণা করা প্রয়োজন বলেও জানিয়েছেন তিনি।

খুলনার দাকোপে ভূমিসেবা সপ্তাহ উদযাপন হয়েছে

গর্ভনিরোধক ওষুধ খাওয়া স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর

আপডেট সময় : ১০:৫৫:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ নভেম্বর ২০২৩

সন্তান ধারণ ঠেকাতে অনেক মহিলাই গর্ভনিরোধক ওষুধ খান। বর্তমানে বিশ্বে ১৫ কোটির বেশি মহিলা গর্ভনিরোধক ওষুধ নেন। কিন্তু, দিনের পর দিন গর্ভনিরোধক ওষুধ খাওয়া স্বাস্থ্যের পক্ষে মোটেই ভাল নয়। ক্রমাগত এই ওষুধ গ্রহণ কেবল সন্তান ধারণ নিয়ন্ত্রণ করে না, মস্তিষ্কেও বিশেষ প্রভাব ফেলে। সম্প্রতি এক গবেষণা রিপোর্টে এমনই তথ্য উঠে এসেছে। কানাডার ইউনিভার্সিট ডু কুইবেক এ মন্ট্রিলের গবেষকদের একাংশ গর্ভনিরোধক ওষুধ (সিওসি) নিয়ে বিশেষ সমীক্ষা রিপোর্ট প্রকাশ করেছেন। সেটি ‘ফ্রন্টিয়ার্স ইন এন্ডোক্রিনোলজি’-তে প্রকাশিত হয়েছে। যারা দীর্ঘদিন ধরে সিওসি নিচ্ছেন এবং যারা মাত্র কয়েকদিন সিওসি নিতে শুরু করেছেন, এই দুই ধরনের মহিলার উপর সমীক্ষা চালানো হয়। সেই রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে, দীর্ঘদিন ধরে যারা দীর্ঘদিন ধরে গর্ভনিরোধক ওষুধ নেয়ার ফলে সিন্থেটিক সেক্স হরমোনের স্বাভাবিক কাজকর্ম নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে। আর তার প্রভাব পড়ছে সরাসরি মস্তিষ্কের স্নায়ুতে। মূলত, ভয় স্নায়ুর উপর প্রভাব ফেলে। সিওসি নিয়ে রিসার্চের গবেষক দলের অন্যতম তথা ইউনিভার্সিট ডু কুইবেক এ মন্ট্রিলের গবেষক আলেকজান্ডার ব্রুইলার্ড বলেন, ঠআমাদের গবেষণায় আমরা দেখিয়েছি যে, যে মহিলারা দীর্ঘদিন ধরে সিওসি ব্যবহার করছেন, তাদের পুরুষদের তুলনায় ভেন্ট্রোমেডিয়াল প্রিফ্রন্টাল কর্টেক্স পাতলা হয়ে যায়। প্রিফ্রন্টাল কর্টেক্সের এই অংশটি আবেগ নিয়ন্ত্রণকে ধরে রাখতে বলে মনে করা হয়, যেমন একটি নিরাপদ পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে ভয়ের সংকেত হ্রাস করে। অত্যধিক সিওসির ব্যবহার মহিলাদের মধ্যে আবেগ নিয়ন্ত্রণকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।’ এছাড়া মহিলাদের মাসিক চক্রের উপর প্রভাব পড়ে। যার ফলে বিভিন্ন শারীরিক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা যায়। ব্রুইলার্ড আরও জানান, সিওসি ব্যবহার বন্ধ করানো তাদের লক্ষ্য নয়, বরং সিওসির প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোই লক্ষ্য। এর ব্যবহার কতটা প্রযোজ্য, মস্তিষ্ক, শরীর এবং আবেগ নিয়ন্ত্রণের উপর এর দীর্ঘমেয়াদী প্রভাবগুলি সম্পর্কে আরও ভালভাবে গবেষণা করা প্রয়োজন বলেও জানিয়েছেন তিনি।