ঢাকা ০৮:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ এপ্রিল ২০২৪, ২৯ চৈত্র ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

কুয়াকাটায় দুইদিন ব্যাপী রাস মেলা উপলক্ষে রিপোর্টে ছাড়

  • স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ১০:৪১:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৩
  • ৮২ খবরটি দেখা হয়েছে

কুয়াকাটায় হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের দুই শত বছর ধরে চলে আসা রাস পূর্ণিমা পূজা ও পুণ্যস্নান৷ আগামী ২৬শে নভেম্বর দুইদিন ব্যাপী রাস মেলা উপলক্ষে কুয়াকাটায় আগত পর্যটকরা হোটেল মোটেল ও রিসোর্টে রাত্রি যাপন করলে তারা পাবে ৪০ শতাংশ থেকে ৫০ শতাংশ ছাড়। এমনটাই জানিয়েছেন হোটেল মোটেল ওনার্স অ্যসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোতালেব শরীফ।
তিনি আরো বলেন গত মাসের ২৮ অক্টোবর থেকে এখন পর্যন্ত তেমন পর্যটকদের উপস্থিতি নেই বললেই চলে। এখন প্রতিদিনই লোকসানের পাল্লা ভারি হচ্ছে। ২দিন ব্যাপি রাস পূর্ণিমা পূজা ও পুণ্যস্নানকে সামনে রেখে আমরা পর্যটক টানতে এমনটা ছাড়ের ঘোষণা দিয়েছি।
সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, রাস উৎসবকে সামনে রেখে শ্রী শ্রী রাধা কৃঞ্চ মন্দিরে প্রতিমায় রং তুলির আচঁরে সাজিয়ে তোলা হচ্ছে প্রতিমা গুলোকে। মেলায় অংশ গ্রহন করতে ইতোমধ্যে বিভিন্ন এলাকা থেকে ভাসমান দোকানিরা মেলার সামগ্রী নিয়ে কুয়াকাটায় আসতে শুরু করেছেন। বিগত বছরেএ মেলায় বিভিন্ন ধর্ম বর্ণের প্রায় লক্ষাধিক লোকের সমাগম হত। মাঝে দুই বছর করোনা আর এবার যোগ রাজনৈতিক অস্থিরতা। এ নিয়ে অস্বস্তি বিরাজমান আয়োজকদের মধ্যে। আয়োজকদের কমতি নেই ভক্তবৃন্দকে বরণ করতে তবে সঙ্কাও কাজ করছে হরতাল আর অবরোধের কারনে উপস্থিতি নিয়ে। কুয়াকাটা ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের স্বত্বাধিকারী হোসাইন আমির বলেন প্রতি বছর ন্যায় এবার গত সাত দিন আগে শুরু করেছি এ বিশাল আয়োজন এর রাশ পূজা ও মেলার কাজ বাকি দিনগুলোর ভিতরে সম্পূর্ণ হবে আশা করি।
হোটেল খান প্যালেস আবাসিক হোটেলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাসেল খান বলেন, এ উৎসবকে ঘিরে মূলত হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন বেশি আসে। তবে নাইট স্টে করা লোকজন তেমন আসেনা। তাই আমরা গেস্ট টানতে হোটেলে ছাড় দিয়েছি।
কুয়াকাটাবআবাসিক হোটেল মোটেলের সভাপতি মো. শাহ আলম বলেন, প্রতি বছর এ অনুষ্ঠানকে সামনে রেখে অগ্রীম বুকিং হত। এবারে রাজনৈতিক অস্থিরতায় পর্যটকদের আনাগোনা কম হবে। তবে পর্যটক যাতে বেশি হয় তাই হোটেল মোটেল ও রিসোর্টে ছাড়ের ঘোষনা দেওয়া হল।
কলাপাড়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর হোসেন সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন। তিনি বলেন, অসঙ্গতিপূর্ণ কাজগুলো তাৎক্ষণিক সমাধান করা হয়েছে আগত ভক্তবৃন্দ যাতে কোন সমস্যায় না পরেন সে জন্য সূপেয় পানি ও পয়ঃনিস্কাশনের ব্যবস্থা করা হবে। তিনি সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে আরো বলেন, শত বছরের ঐতিহ্য ধরে রাখতে হবে। তাদের ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান করতে যা যা করা দরকার তা সবি করা হবে।

দাকোপের বাজুয়ায় মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে মানববন্ধন

কুয়াকাটায় দুইদিন ব্যাপী রাস মেলা উপলক্ষে রিপোর্টে ছাড়

আপডেট সময় : ১০:৪১:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৩

কুয়াকাটায় হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের দুই শত বছর ধরে চলে আসা রাস পূর্ণিমা পূজা ও পুণ্যস্নান৷ আগামী ২৬শে নভেম্বর দুইদিন ব্যাপী রাস মেলা উপলক্ষে কুয়াকাটায় আগত পর্যটকরা হোটেল মোটেল ও রিসোর্টে রাত্রি যাপন করলে তারা পাবে ৪০ শতাংশ থেকে ৫০ শতাংশ ছাড়। এমনটাই জানিয়েছেন হোটেল মোটেল ওনার্স অ্যসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোতালেব শরীফ।
তিনি আরো বলেন গত মাসের ২৮ অক্টোবর থেকে এখন পর্যন্ত তেমন পর্যটকদের উপস্থিতি নেই বললেই চলে। এখন প্রতিদিনই লোকসানের পাল্লা ভারি হচ্ছে। ২দিন ব্যাপি রাস পূর্ণিমা পূজা ও পুণ্যস্নানকে সামনে রেখে আমরা পর্যটক টানতে এমনটা ছাড়ের ঘোষণা দিয়েছি।
সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, রাস উৎসবকে সামনে রেখে শ্রী শ্রী রাধা কৃঞ্চ মন্দিরে প্রতিমায় রং তুলির আচঁরে সাজিয়ে তোলা হচ্ছে প্রতিমা গুলোকে। মেলায় অংশ গ্রহন করতে ইতোমধ্যে বিভিন্ন এলাকা থেকে ভাসমান দোকানিরা মেলার সামগ্রী নিয়ে কুয়াকাটায় আসতে শুরু করেছেন। বিগত বছরেএ মেলায় বিভিন্ন ধর্ম বর্ণের প্রায় লক্ষাধিক লোকের সমাগম হত। মাঝে দুই বছর করোনা আর এবার যোগ রাজনৈতিক অস্থিরতা। এ নিয়ে অস্বস্তি বিরাজমান আয়োজকদের মধ্যে। আয়োজকদের কমতি নেই ভক্তবৃন্দকে বরণ করতে তবে সঙ্কাও কাজ করছে হরতাল আর অবরোধের কারনে উপস্থিতি নিয়ে। কুয়াকাটা ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের স্বত্বাধিকারী হোসাইন আমির বলেন প্রতি বছর ন্যায় এবার গত সাত দিন আগে শুরু করেছি এ বিশাল আয়োজন এর রাশ পূজা ও মেলার কাজ বাকি দিনগুলোর ভিতরে সম্পূর্ণ হবে আশা করি।
হোটেল খান প্যালেস আবাসিক হোটেলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাসেল খান বলেন, এ উৎসবকে ঘিরে মূলত হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন বেশি আসে। তবে নাইট স্টে করা লোকজন তেমন আসেনা। তাই আমরা গেস্ট টানতে হোটেলে ছাড় দিয়েছি।
কুয়াকাটাবআবাসিক হোটেল মোটেলের সভাপতি মো. শাহ আলম বলেন, প্রতি বছর এ অনুষ্ঠানকে সামনে রেখে অগ্রীম বুকিং হত। এবারে রাজনৈতিক অস্থিরতায় পর্যটকদের আনাগোনা কম হবে। তবে পর্যটক যাতে বেশি হয় তাই হোটেল মোটেল ও রিসোর্টে ছাড়ের ঘোষনা দেওয়া হল।
কলাপাড়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর হোসেন সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন। তিনি বলেন, অসঙ্গতিপূর্ণ কাজগুলো তাৎক্ষণিক সমাধান করা হয়েছে আগত ভক্তবৃন্দ যাতে কোন সমস্যায় না পরেন সে জন্য সূপেয় পানি ও পয়ঃনিস্কাশনের ব্যবস্থা করা হবে। তিনি সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে আরো বলেন, শত বছরের ঐতিহ্য ধরে রাখতে হবে। তাদের ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান করতে যা যা করা দরকার তা সবি করা হবে।