ঢাকা ০৬:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৪, ২ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বরিশালে উপাচার্য ছাদেকুল আরেফিনের বিদায়ে ববি’তে মিষ্টি বিতরণ

  • স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ০৭:২৫:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ নভেম্বর ২০২৩
  • ৯০ খবরটি দেখা হয়েছে

 

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. ছাদেকুল আরেফিনের বিদায় নেওয়ায় ক্যাম্পাসে মিষ্টি বিতরণ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা।  সোমবার (৬ নভেম্বর)  বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণে এই মিষ্টি বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

জানা যায়, ড. ছাদেকুল আরেফিন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি হয়  ২০১৯ সালের ৩ নভেম্বর ভিসি হিসেবে নিয়োগ পেয়ে যোগদান করেছিলেন ৬ নভেম্বর।

সে হিসেবে ৬ নভেম্বর তার চার বছর মেয়াদ শেষ হয়। তাই ৬  নভেম্বর ক্যাম্পাস থেকে বিদায় নেন। সোমবার বিশ্ববিদ্যালয় জনসংযোগ দপ্তর থেকে তার বিদায় গ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

এদিকে তার বিদায়ের খবরে উল্লাস প্রকাশ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা। ড.ছাদেকুল আরেফিনের বিদায় উপলক্ষ্যে পুরো ক্যাম্পাসে মিষ্টি বিতরণ করেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

উপাচার্যের বিদায়ে নিয়ে শিক্ষার্থীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন মন্তব্য লিখে পোস্ট করেছে। আনোয়ার হোসেন নামে এক শিক্ষার্থী লিখেছেন মেরুদণ্ডহীন ভিসি মুক্ত দিবস উপলক্ষে ববি’তে মিষ্টি বিতরণ।

উল্লেখ্য, মেয়াদের চার বছর দায়িত্ব পালনকালে  উপাচার্য ড.ছাদেকুল আরেফিনের অদক্ষতা ও স্বেচ্ছাচারিতায় থেমে গেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক মান ও অবকাঠামোগত বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ৷ বিভিন্ন শূণ্যপদে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন কর্তৃক নিয়োগ দেয়ার চিঠি থাকা সত্বেও ভিসি কাউকে নিয়োগ দেয় নাই৷ 

তিনি দায়িত্ব থাকা অবস্থায় নিদিষ্ট কিছু শিক্ষক এবং কর্মকর্তা নিয়ে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে সকল প্রকার সুযোগ সুবিধা ভোগ করতেন। তার সিন্ডিকেটের বাহিরের  শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত ছিলো। বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনি একটি বৈষম্য তৈরি করে গেছেন। 

অনেক শিক্ষকের চাকরি অস্থায়ী অবস্থায় দীর্ঘদিন পর্যন্ত বিনা কারণে ঝুলিয়ে রেখেছেন ৷ এছাড়া অনেক শিক্ষকের সহকারী অধ্যাপক পদের পদোন্নতি বহুদিন যাবৎ ঝুলিয়ে রেখেছেন। এদিকে ভিসি ড. ছাদেকুল আরেফিন নিজে ৬টি পদ দখলে রেখেছিলেন।

গত চার বছরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য তিনি কোনো কাজই করেননি। কথার ফুলঝুরি আর ছোট মাঝারী মানের বেসরকারী প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের অতিথি হিসেবে আসন গ্রহন ছাড়া তার কোন কাজ করেনি। দ্বায়িত্ব নেয়ার পর থেকে একটি ডিপিপিও জমা দিতে পারেননি৷

দাকোপের বাজুয়ায় মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে মানববন্ধন

বরিশালে উপাচার্য ছাদেকুল আরেফিনের বিদায়ে ববি’তে মিষ্টি বিতরণ

আপডেট সময় : ০৭:২৫:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ নভেম্বর ২০২৩

 

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. ছাদেকুল আরেফিনের বিদায় নেওয়ায় ক্যাম্পাসে মিষ্টি বিতরণ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা।  সোমবার (৬ নভেম্বর)  বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণে এই মিষ্টি বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

জানা যায়, ড. ছাদেকুল আরেফিন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি হয়  ২০১৯ সালের ৩ নভেম্বর ভিসি হিসেবে নিয়োগ পেয়ে যোগদান করেছিলেন ৬ নভেম্বর।

সে হিসেবে ৬ নভেম্বর তার চার বছর মেয়াদ শেষ হয়। তাই ৬  নভেম্বর ক্যাম্পাস থেকে বিদায় নেন। সোমবার বিশ্ববিদ্যালয় জনসংযোগ দপ্তর থেকে তার বিদায় গ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

এদিকে তার বিদায়ের খবরে উল্লাস প্রকাশ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা। ড.ছাদেকুল আরেফিনের বিদায় উপলক্ষ্যে পুরো ক্যাম্পাসে মিষ্টি বিতরণ করেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

উপাচার্যের বিদায়ে নিয়ে শিক্ষার্থীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন মন্তব্য লিখে পোস্ট করেছে। আনোয়ার হোসেন নামে এক শিক্ষার্থী লিখেছেন মেরুদণ্ডহীন ভিসি মুক্ত দিবস উপলক্ষে ববি’তে মিষ্টি বিতরণ।

উল্লেখ্য, মেয়াদের চার বছর দায়িত্ব পালনকালে  উপাচার্য ড.ছাদেকুল আরেফিনের অদক্ষতা ও স্বেচ্ছাচারিতায় থেমে গেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক মান ও অবকাঠামোগত বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ৷ বিভিন্ন শূণ্যপদে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন কর্তৃক নিয়োগ দেয়ার চিঠি থাকা সত্বেও ভিসি কাউকে নিয়োগ দেয় নাই৷ 

তিনি দায়িত্ব থাকা অবস্থায় নিদিষ্ট কিছু শিক্ষক এবং কর্মকর্তা নিয়ে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে সকল প্রকার সুযোগ সুবিধা ভোগ করতেন। তার সিন্ডিকেটের বাহিরের  শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত ছিলো। বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনি একটি বৈষম্য তৈরি করে গেছেন। 

অনেক শিক্ষকের চাকরি অস্থায়ী অবস্থায় দীর্ঘদিন পর্যন্ত বিনা কারণে ঝুলিয়ে রেখেছেন ৷ এছাড়া অনেক শিক্ষকের সহকারী অধ্যাপক পদের পদোন্নতি বহুদিন যাবৎ ঝুলিয়ে রেখেছেন। এদিকে ভিসি ড. ছাদেকুল আরেফিন নিজে ৬টি পদ দখলে রেখেছিলেন।

গত চার বছরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য তিনি কোনো কাজই করেননি। কথার ফুলঝুরি আর ছোট মাঝারী মানের বেসরকারী প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের অতিথি হিসেবে আসন গ্রহন ছাড়া তার কোন কাজ করেনি। দ্বায়িত্ব নেয়ার পর থেকে একটি ডিপিপিও জমা দিতে পারেননি৷