ঢাকা ০৬:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৪, ২ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ই-কমার্সের জন্য জরুরি হচ্ছে ডিজিটাল সংযুক্তি

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ১১:০৮:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ নভেম্বর ২০২৩
  • ৯১ খবরটি দেখা হয়েছে

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, ই-কমার্সের জন্য জরুরি হচ্ছে ডিজিটাল সংযুক্তি।
‘বস্তুত স্মার্ট বাংলাদেশের ব্যাকবোনই হচ্ছে ডিজিটাল সংযুক্তি’ এ কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, মোবাইলের ফোরজি সংযুক্তির পাশাপাশি দেশের প্রায় প্রতিটি মানুষের দোরগোড়ায় অপটিক্যাল ফাইবার সংযোগ পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় দেশে ১৩ কোটিরও বেশি মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করছে।
মন্ত্রী রাজধানীর শাহবাগস্থ হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ (ই-ক্যাব) আয়োজিত ‘ই-কমার্স মুভার্স অ্যাওয়ার্ডস (ইসিএমএ) ২০২৩’ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।
ই-ক্যাব সভাপতি শমী কায়সারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুন্সি, আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, ই-ক্যাবের উপদেষ্টা কমিটির সদস্য নাহিম রাজ্জাক ইক্যাবের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মাদ আব্দুল ওয়াহেদ তমাল প্রমুখ অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন।
ই-ক্যাব কেবল পণ্য নয়, সেবাও বিক্রি করছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ই-কমার্স তরুণ প্রজন্মের নিকট নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মুক্ত করেছে। তিনি ই-ক্যাবের গত নয় বছরের সফল পথচলার কথা তুলে ধরে বলেন, দেশব্যাপী নিরবচ্ছিন্ন ডিজিটাল সংযুক্তির সুযোগ কাজে লাগিয়ে ইক্যাবের বিস্ময়কর অগ্রগতি হয়েছে।
এই অনুষ্ঠানে মোস্তাফা জব্বার ডিজিটাল কমার্সে তরুণ উদ্যোক্তাদের সফলতার দৃষ্টান্ত তুলে ধরেন। তিনি  বলেন, ‘আমাদের তরুণ প্রজন্ম উপযুক্ত পরিবেশ পেলে স্মার্ট সভ্যতাকে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবেন’। প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষ কম খরচে ঘরে বসেই ডিজিটাল শপ থেকে কেনা পণ্য যাতে হাতে পান সেই লক্ষ্যে স্মার্ট ডাক বিতরণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, স্মার্ট ডাক ব্যবস্থায় দেশের ১০ হাজার পোস্ট অফিসকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন হাবের মাধ্যমে পণ্য সরবরাহ করা সম্ভব হবে। স্বয়ংক্রিয় ট্র্যাকিং পদ্ধতিতে ক্রেতার পণ্য কোথায় আছে তাও সহজেই শনাক্ত করা যাবে। প্রতিটি ডাক ঘরে ই-কমার্সের জন্য একটি আলাদা কর্ণার থাকছে, যেখান থেকে পণ্য শর্টিং, ট্র্যাকিং এবং দ্রুততম সময়ে ক্রেতার কাছে পণ্য পৌঁছে দেয়া হবে।
ডিজিটাল প্রযুক্তিতে বাংলাভাষার উদ্ভাবক মোস্তাফা জব্বার বলেন, প্রথম এবং দ্বিতীয় শিল্প বিপ্লব মিস করে শত-শত বছর প্রযুক্তিতে পশ্চাৎপদ থেকে ডিজিটাল বাংলাদেশ কর্মসূচির ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ বিশ্বে অনুকরণীয়।
তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে দেশের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে শেখ হাসিনার হাতকে আরো শক্তিশালী করতে দেশ প্রেমিক প্রতিটি মানুষকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
পরে ‘ই-কমার্স মুভার্স অ্যাওয়ার্ডস (ইসিএমএ) ২০২৩’ বিতরণ করা হয়।

দাকোপের বাজুয়ায় মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে মানববন্ধন

ই-কমার্সের জন্য জরুরি হচ্ছে ডিজিটাল সংযুক্তি

আপডেট সময় : ১১:০৮:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ নভেম্বর ২০২৩

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, ই-কমার্সের জন্য জরুরি হচ্ছে ডিজিটাল সংযুক্তি।
‘বস্তুত স্মার্ট বাংলাদেশের ব্যাকবোনই হচ্ছে ডিজিটাল সংযুক্তি’ এ কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, মোবাইলের ফোরজি সংযুক্তির পাশাপাশি দেশের প্রায় প্রতিটি মানুষের দোরগোড়ায় অপটিক্যাল ফাইবার সংযোগ পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় দেশে ১৩ কোটিরও বেশি মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করছে।
মন্ত্রী রাজধানীর শাহবাগস্থ হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ (ই-ক্যাব) আয়োজিত ‘ই-কমার্স মুভার্স অ্যাওয়ার্ডস (ইসিএমএ) ২০২৩’ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।
ই-ক্যাব সভাপতি শমী কায়সারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুন্সি, আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, ই-ক্যাবের উপদেষ্টা কমিটির সদস্য নাহিম রাজ্জাক ইক্যাবের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মাদ আব্দুল ওয়াহেদ তমাল প্রমুখ অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন।
ই-ক্যাব কেবল পণ্য নয়, সেবাও বিক্রি করছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ই-কমার্স তরুণ প্রজন্মের নিকট নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মুক্ত করেছে। তিনি ই-ক্যাবের গত নয় বছরের সফল পথচলার কথা তুলে ধরে বলেন, দেশব্যাপী নিরবচ্ছিন্ন ডিজিটাল সংযুক্তির সুযোগ কাজে লাগিয়ে ইক্যাবের বিস্ময়কর অগ্রগতি হয়েছে।
এই অনুষ্ঠানে মোস্তাফা জব্বার ডিজিটাল কমার্সে তরুণ উদ্যোক্তাদের সফলতার দৃষ্টান্ত তুলে ধরেন। তিনি  বলেন, ‘আমাদের তরুণ প্রজন্ম উপযুক্ত পরিবেশ পেলে স্মার্ট সভ্যতাকে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবেন’। প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষ কম খরচে ঘরে বসেই ডিজিটাল শপ থেকে কেনা পণ্য যাতে হাতে পান সেই লক্ষ্যে স্মার্ট ডাক বিতরণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, স্মার্ট ডাক ব্যবস্থায় দেশের ১০ হাজার পোস্ট অফিসকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন হাবের মাধ্যমে পণ্য সরবরাহ করা সম্ভব হবে। স্বয়ংক্রিয় ট্র্যাকিং পদ্ধতিতে ক্রেতার পণ্য কোথায় আছে তাও সহজেই শনাক্ত করা যাবে। প্রতিটি ডাক ঘরে ই-কমার্সের জন্য একটি আলাদা কর্ণার থাকছে, যেখান থেকে পণ্য শর্টিং, ট্র্যাকিং এবং দ্রুততম সময়ে ক্রেতার কাছে পণ্য পৌঁছে দেয়া হবে।
ডিজিটাল প্রযুক্তিতে বাংলাভাষার উদ্ভাবক মোস্তাফা জব্বার বলেন, প্রথম এবং দ্বিতীয় শিল্প বিপ্লব মিস করে শত-শত বছর প্রযুক্তিতে পশ্চাৎপদ থেকে ডিজিটাল বাংলাদেশ কর্মসূচির ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ বিশ্বে অনুকরণীয়।
তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে দেশের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে শেখ হাসিনার হাতকে আরো শক্তিশালী করতে দেশ প্রেমিক প্রতিটি মানুষকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
পরে ‘ই-কমার্স মুভার্স অ্যাওয়ার্ডস (ইসিএমএ) ২০২৩’ বিতরণ করা হয়।